ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম নিউজ

আর্কাইভ দেখুন

কাজিপুরজুড়ে বাড়ছে জনদুর্ভোগ

কাজিপুরজুড়ে বাড়ছে জনদুর্ভোগ

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় সামান্য বাতাস কিংবা হালকা বৈরী আবহাওয়াতেই ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চালিতাডাঙ্গা, সোনামুখী, মাইজবাড়ি ও কাজিপুর সদর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সমস্যা যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, ঝড়-বৃষ্টি তো দূরের কথা, হালকা বাতাস হলেই অনেক এলাকায় টানা ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। ফলে গরমের মধ্যে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের দৈনন্দিন কাজকর্মেও বিঘ্ন ঘটছে।চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। এছাড়া বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। সেবাগ্রহীতারা বলছেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলছে না। ফলে দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে গ্রাহকদের মধ্যে। এ অবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার ত্রুটি চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।বিস্তারিত আসছে ভিডিও প্রতিবেদনে...


সম্পাদক সায়েম, প্রকাশক হৃদয়

সম্পাদক সায়েম, প্রকাশক হৃদয়

দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘শিরোনাম নিউজ’-এ নতুন দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সম্পাদক পদে বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি আব্দুস সামাদ সায়েম সম্পাদক এবং কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রাব্বি হাসান হৃদয় প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।এছাড়া শিক্ষা সংগঠক ও শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মহসীন রেজা বিপ্লব প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে শিরোনাম নিউজকে আরও তথ্যসমৃদ্ধ, বস্তুনিষ্ঠ ও পাঠকবান্ধব সংবাদমাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।নবনিযুক্ত কর্মকর্তারা সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও আধুনিক সাংবাদিকতার মানদণ্ড অনুসরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।


কলেজে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

কলেজে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিরুদ্ধে। নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষার নামে প্রিভিয়াস মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৪৮০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় বিভাগটিতে অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের প্রিভিয়াস মাস্টার্সের প্রায় ৭১৬ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নির্ধারিত ফরম পূরণ ফি’র বাইরে অতিরিক্ত ৪৮০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। এ হিসেবে মোট আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮০ টাকা।শিক্ষার্থীদের দাবি, অতিরিক্ত এই অর্থ কোন খাতে নেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে না। কখনো বিভাগীয় খরচ, কখনো নির্বাচনী পরীক্ষার ব্যয় দেখানো হলেও এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত নির্দেশনা বা নীতিমালা দেখানো হয়নি।প্রিভিয়াস মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আপেল মাহমুদ বলেন, “টেস্ট পরীক্ষার জন্য ৪৮০ টাকা নেওয়া হয়েছে। কী কারণে এই টাকা নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে সন্তোষজনক কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি আমাদের কাছে অস্বচ্ছ মনে হয়েছে।”আরেক শিক্ষার্থী জুয়েল আহমেদ বলেন, “ফরম পূরণের নির্ধারিত টাকার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এর যৌক্তিকতা বা খাত সম্পর্কে কেউ পরিষ্কারভাবে কিছু বলছে না।”একই বিভাগের শিক্ষার্থী লাকী বেগম বলেন, “ব্যাংকের নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত ৪৮০ টাকা দিতে হচ্ছে। কেন নেওয়া হচ্ছে সেটি আমাদের জানানো হয়নি। বাধ্য হয়েই টাকা জমা দিতে হচ্ছে।”এ বিষয়ে কারমাইকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আরিফ হাসান বলেন, “শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। এর কোনো বৈধতা আছে বলে আমরা মনে করি না। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে আমরা এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছি এবং আদায়কৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোস্তাফিজার রহমান মিন্টু বলেন, “শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচনী পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর ব্যবস্থাপনা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, কর্মচারী ব্যয় ও অন্যান্য প্রশাসনিক খরচ মেটাতেই এই ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের অনুরোধেই করা হয়েছে।”এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই অতিরিক্ত ফি আদায়ের বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।