প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অপহরণ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি একে ধরিয়ে দিন
শিরোনাম ডেস্ক ||
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বুকফাটা আহাজারি করে মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ তুলে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছিলেন পুলিশ সদস্য রানা মাসুদ। সে সময় তার অভিযোগ ছিল—মেয়েকে উদ্ধারের জন্য মামলা করতে গিয়ে তিনি পুলিশের কাছ থেকেই কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাননি। এমনকি তার ভাষ্যমতে, সংশ্লিষ্ট থানার ওসি মেয়েকে উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য ঘুষ দাবি করেছিলেন।পুলিশ সদস্য হয়েও পুলিশের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের ঘটনায় বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনার জন্ম দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মিডিয়া পাড়ায় এ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তখন ব্যঙ্গাত্মকভাবে আলোচনায় আসে বহুল প্রচলিত প্রবাদ—“কাকের মাংস কাকে খায় না।”রানা মাসুদের অভিযোগ ও গণমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার পর তার মেয়েকে উদ্ধারে তৎপর হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরবর্তীতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল অভিযান চালিয়ে রানা মাসুদের মেয়েকে উদ্ধার করে।তবে অভিযোগের সঙ্গে জড়িত হিসেবে রানা মাসুদ যে ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছিলেন, সেই সাহিদ হোসেনকে সে সময় গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানা গেছে। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালত-২ থেকে গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। ফলে বর্তমানে তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে রয়েছেন।রানা মাসুদের মেয়েকে উদ্ধারের ঘটনায় স্বস্তি ফিরলেও অভিযুক্ত সাহিদ হোসেনের গ্রেফতার না হওয়া নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের প্রত্যাশা, আদালতের পরোয়ানা অনুযায়ী দ্রুত তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।সাহিদ হোসেনকে কোথাও দেখা গেলে নিজেরা আটক বা কোনো ধরনের আইন হাতে তুলে না নিয়ে দ্রুত নিকটস্থ থানায় অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।প্রতিবেদকের নোট:রানা মাসুদের পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগটি তার বক্তব্যের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে; অভিযোগটির সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়।
সম্পাদকঃ আব্দুস সামাদ সায়েম
প্রকাশকঃ রাব্বি হাসান হৃদয়
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত শিরোনাম নিউজ